মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলা প্রশাসনের পটভুমি

বাংলাদেশের উত্তর জনপদের কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্ত ঘেষা ফুলবাড়ী উপজেলার অবস্থান। এর উত্তরে ভারতের কোচবিহার, দক্ষিনে কুড়িগ্রাম সদর ও রাজারহাট উপজেলা। পূর্বে নাগেশ্বরী উপজেলা এবং পশ্চিমে লালমনিরহাট জেলা। উপজেলার আয়তন ১৫৬.৪০ বর্গ কি.মি. মোট জনসংখ্যা ১৩৭৪৬০জন পুরুষ৬৮,২২০ মহিলা ৬৯,২৪০ জন। উপজেলাটি প্রবল গ্রেসী ধরলা নদী দ্বারা বেষ্টিত । ফুলবাড়ী উপজেলাটি এক সময় কোচবিহার রাজ্যে পুর্বভাগ পরগনা অন্তর্গত ছিল। মহারাজা জগদ্বিপেন্দ্র নারায়ন ভুপ বাহাদুর ১৯১৩ সালে পুর্বভাগ চাকলা পরির্দশনে আসার পথে ধরলা নদীর উভয় তীরে কাশবন ও কাশফুল দেখে মুগ্ধ হয়ে এর নামকরণ করেন ফুলবাড়ী।

উপজেলায় ৬টি ইউনিয়ন রয়েছে।

পূর্বভাগ পরগনার সর্বশেষ জমিদার কে ছিলেন তা আজ আর সঠিক ভাবে জানা যায় না তবে ফুলবাড়ী কাছারী বাড়ী আজও তাঁর স্মৃতি বহন করছে। তাঁর কাছারী বাড়ীর সামনেও একটি মনোরম ফুলের বাগান ছিল। এই বিলুপ্ত প্রায় বাগানের কিছু ফুলগাছের নমুনা এখনও বিদ্যমান রয়েছে। কামিনি ও গৌরী চাঁপার প্রাচীন গাছ গুলি কালের স্বাক্ষী হিসাবে এখনও বাতাসে গন্ধ ছড়িয়ে জানিয়ে দিচেছ যে আমার নাম ‘‘ফুলবাড়ী’’। পরবর্তীতে বৃটিশ শাসনামলে ০৬ মে ১৯১৪ সালের সরকারী গেজেট নোটিফিকেশনে বৃহত্তর রংপুর জেলার কুড়িগ্রাম মহকুমাধীন ফুলবাড়ী থানা নামে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখনও ফুলবাড়ী ডাকঘরটি পূর্বভাগ নামেই পরিচিত।

 

                     প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস কার্যক্রমের আওতায় বিদ্যমান পুলিশি থানা ব্যবস্থাকে মান উন্নীত থানা হিসেবে প্রশাসনেরকার্যক্রম শুরু হয় ০৭ নভেম্বর ১৯৮২-তে। ঐদিন ৪৫টি  থানা উন্নীত থানা হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।  Lord Warren Hastings১৭৭৪ এর ০৯ এপ্রিল   থানা নামক যে প্রতিষ্ঠান চালু করেন ২০৮ বছর পর তা নতুন নামে অর্থাৎ উপজেলা নামে যাত্রা শুরু করে।

 

                     ১০টি পর্যায়ে মান উন্নয়ন সম্পন্ন হয়, ফুলবাড়ী ৫ম পর্যায়ে মান উন্নীত উপজেলা হিসেবে ১৯৮৩ সালে ২রা জুলাই  কার্যক্রম শুরু করে।